স্বাচিপের বিরোধের জের ধরে নারায়ণগঞ্জে ডাক্তারদের মধ্যে হাতাহাতি


স্বাচিপের বিরোধের জের ধরে নারায়ণগঞ্জে ডাক্তারদের মধ্যে হাতাহাতি
নারায়ণগঞ্জে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বিরোধের জের ধরে ডাক্তারদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের নির্বাচনে গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদের প্যানেল পরিচিতি সভার শুরুতে নগরীর ২নং রেলগেট এলাকায় অবস্থিত আলী আহম্মদ চুনকা সিটি মিলনায়তনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন চিকিৎসক জানান, বিকেল পাঁচটায় এ সভায় যোগ দিতে স্বাচিপের কেন্দ্রীয় মহাসচিব কামরুল হাসান এসে নামেন। এসময় একই মাইক্রোবাসে জেলা স্বাচিপের একাংশের সাধারণ সম্পাদক মাতুয়াইল শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক বিধান চন্দ্র পোদ্দারও এসে নামেন। তিনি নামার সঙ্গে সঙ্গেই জেলা স্বাচিপের আরেক অংশের সভাপতি ডা. আতিকুজ্জামান সোহেলের সঙ্গে স্বাচিপের নেতৃত্ব বিষয়ে তার তর্ক বেঁধে যায়। এক পর্যায়ে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ডা. সোহেলের সঙ্গে এসময় আরও বেশ কয়েকজন ডাক্তার ও আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন। আর এসময় ডা. বিধানের সঙ্গে তেমন কেউ ছিলেন না।এ ব্যাপারে ডা. বিধান চন্দ্র পোদ্দার টেলিফোনে জানান, হাতাহাতি নয় আমি হামলার শিকার হয়েছি। স্বাচিপের কেন্দ্রীয় মহাসচিব অনুষ্ঠানস্থলটি চিনতেন না। তাই আমি চাষাড়ার সায়াম প্লাজা থেকে তাকে অনুষ্ঠানস্থল দেখিয়ে দেয়ার জন্য তার গাড়িতে উঠি। আমি তার সঙ্গে অনুষ্ঠানস্থলে এসে নামার সঙ্গে সঙ্গে ডা. সোহেল ও তার সহযোগী ডাক্তাররা আমার ওপর হামলা চালায়। আমাকে ব্যাপক মারধর করে। বিষয়টি আমি সদর থানায় মৌখিকভাবে জানিয়েছি। পরে আমরা সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেব।অভিযোগের ব্যাপারে জেলা স্বাচিপের অপর অংশের সভাপতি ডা. আতিকুজ্জামান সোহেল জানান, ডা. বিধান চন্দ্র পোদ্দার মহাসচিবের গাড়িতে এসে নামেন। আর আমরা মহাসচিবকে রিসিভ করার জন্য দাড়িয়ে ছিলাম। ডা. বিধান মহসচিবের সঙ্গে গাড়িতে আসায় এ নিয়ে ঔদ্ধত্যমূলক কটুক্তি করেন। ফলে তার সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের হাতাহাতি বেঁধে যায়। আমি তাকে কিছু বলিনি। পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে এখন তিনি আমার নাম বলছেন।এ ব্যাপারে জেলা স্বাচিপের একাংশের সভাপতি ডা. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, আমরা এ ব্যাপারে সভা করে সিদ্ধান্ত নেব।