কাশিমপুর কারাগারে বন্দিকে নির্যাতনের অভিযোগ


কাশিমপুর কারাগারে বন্দিকে নির্যাতনের অভিযোগ
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি মানি লন্ডারিং মামলার আসামি ই-অরেঞ্জের চিফ অপারেটিং অফিসার মো. আমান উল্লাহ চৌধুরীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। গত ৭ মার্চ তাঁকে সাধারণ ওয়ার্ড থেকে ফাঁসির সেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী নুসরাত জাহান। অভিযোগে বলা হয়েছে, নির্যাতন থেকে বাঁচানোর জন্য প্রথম দফায় কারাগার-১ এর জেল সুপার ও জেলারকে আমান উল্লাহর পক্ষ থেকে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করেন তাঁরা। সেই টাকা দিতে না পারায় নির্যাতন চালানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দপ্তরে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, তাঁর কাছে কোনো টাকা চাওয়া হয়নি বা তাঁকে নির্যাতন করা হয়নি। কারাগারে থাকা সরকারি মোবাইল ফোন থেকে এক সাবেক কর্মকর্তাকে হুমকি দেওয়ার দায়ে তাঁকে শাস্তি হিসেবে ২ মাসের জন্য ওই সেলে রাখা হয়েছে। নির্যাতন করে আমান উল্লাহকে হত্যা করা হতে পারে– এমন আশঙ্কাও করা হয়েছে লিখিত অভিযোগে। ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১০/এ রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি মামলায় জামিন হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) করা ২৩২ কোটি টাকা লন্ডারিংয়ের মামলায় শুধু জামিন হয়নি। নুসরাত জাহান জানান, আমানকে ২০২১ সালের ১৮ আগস্ট গ্রেপ্তারের পর কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ২০২২ সালের ১৩ মে তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়। নুসরাতের অভিযোগ, জেল সুপার মো. শাহজাহান ও জেলার তরিকুল ইসলাম হাজতের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অজুহাতে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। এক পর্যায়ে নির্যাতনের ভয়ে ওই কোম্পানির এক কর্মকর্তা তাঁদের কাছে ৫ লাখ টাকা দেন। টাকা দেওয়ার প্রমাণ আছে বলেও জানান নুসরাত। পরবর্তী সময়ে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এই টাকা দিতে না পারায় চালানো হয় নির্যাতন। এ ব্যাপারে মো. শাহজাহান বলেন, এ অভিযোগ মিথ্যা। সাবেক এক কর্মকর্তাকে আমান চৌধুরী কারাগারের ভেতর থেকে সরকারি মোবাইল ফোন দিয়ে হুমকি দিয়েছেন। আদালতের একজন বিচারকের মাধ্যমে এ খবর জানতে পেরে গত ৭ মার্চ তাঁকে সেলে নেওয়া হয়। কারাগারের ভেতরে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আমান বিষয়টি স্বীকার করেন। শাস্তি হিসেবে ২ মাসের জন্য তাঁকে ওই সেলে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত জেলার তরিকুল ইসলাম বলেন, জেলখানা উন্নয়নের জন্য গণপূর্ত বিভাগ বরাদ্দ দিয়েছে। তাঁর কাছে কেন টাকা চাইব? শাস্তি হিসেবে তাঁকে সেলে রাখার কারণে হয়তো এমন অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হারুন অর রশিদ ফরিদ বলেন, একজন সাধারণ বন্দিকে কোনো অবস্থাতেই ফাঁসির সেলে রাখা যাবে না। এটি মানবাধিকারের লঙ্ঘন। জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান বলেন, অভিযোগপত্র তিনি পেয়েছেন। এ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। বিষয়টি সত্য প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ :

ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা   ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ   লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন   হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না   এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য   বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।   মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি   সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে   বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে