আন্তর্জাতিক ফুটবল চালিয়ে যাবেন রোনালদো, আছেন নেশন্স লীগের পর্তুগাল স্কোয়াডে


আন্তর্জাতিক ফুটবল চালিয়ে যাবেন রোনালদো, আছেন নেশন্স লীগের পর্তুগাল স্কোয়াডে
লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখনই বুট জোড়া তুলে রাখছেন না। নতুন কোচ জর্জ জেসুসের অধীনে উয়েফা নেশন্স লীগের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালের ২৫ সদস্যের দলে জায়গা করে নিয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। গত আগস্টে এক সাক্ষাৎকারে রোনালদো ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, হয়তো আগামী বছরটাই হতে যাচ্ছে তাঁর খেলোয়াড়ি জীবনের শেষ বছর। তবে তিনি জানান, এখনই জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর বিষয়ে তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান না। ফলে ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পর্তুগালের হয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা। ২০০২ সালে স্পোর্টিং সিপির হয়ে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করার পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, ইউভেন্তুস এবং বর্তমান ক্লাব আল-নাসরের হয়ে অসংখ্য ট্রফি জিতেছে তিনি। তবে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলারের ঝুলিতে এখনও ওঠেনি বহুল কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ ট্রফি। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস বলেন, ‘তাঁর পারফরম্যান্সই আসল বিষয়, অতীতে কী হয়েছে তা এখন বিচার্য নয়। দলে এমন ১৩ জন খেলোয়াড় রয়েছে, যারা আগে আমার সঙ্গে কাজ করেছে। স্কোয়াডে ক্রিস অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের মতোই একজন। পারফর্ম করলে খেলবে, না করলে খেলবে না। তাঁর আলাদা একটি অবস্থান রয়েছে, তিনি পাঁচটি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, তবে এটি আমার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না।’ ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে পর্তুগালের কোচ হিসেবে জেসুসের অভিষেক হতে যাচ্ছে। এরপর পর্তুগাল যথাক্রমে ২৭ সেপ্টেম্বর নরওয়ে, ১ অক্টোবর ডেনমার্ক এবং ৪ অক্টোবর আবারও নরওয়ের মোকাবিলা করবে। ঘোষিত পর্তুগাল স্কোয়াড: * গোলরক্ষক: দিয়োগো কোস্তা (পোর্তো), রুই সিলভা (স্পোর্টিং), সামুয়েল সোয়ারেস (বেনফিকা)। * রক্ষণভাগ: গনসালো ইনাসিও (স্পোর্টিং), জোয়াও কানসেলো (বার্সেলোনা), দিয়োগো দালোত (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), নুনো তাভারেস (লাসিও), নুনো মেন্দেস (প্যারিস সেন্ট জার্মেই), রেনাতো ভিগা (ভিয়ারিয়াল), রুবেন দিয়াস (ম্যানচেস্টার সিটি), তোমাস আরাউজো (বেনফিকা)। * মধ্যমাঠ: ব্রুনো ফার্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), জোয়াও পালহিনহা (বেনফিকা), জোয়াও নেভেস (প্যারিস সেন্ট জার্মেই), রুবেন নেভেস (আল-হিলাল), ভিতিনহা (প্যারিস সেন্ট জার্মেই), বার্নার্দো সিলভা (রিয়াল মাদ্রিদ)। * আক্রমণভাগ: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (আল-নাসর), ফাবিও সিলভা (বরুসিয়া ডর্টমুন্ড), ফ্রান্সিসকো ট্রিনকাও (আল-আহলি), ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও (ইউভেন্তুস), গনসালো রামোস (এসি মিলান), জোয়াও ফেলিক্স (আল-নাসর), পেদ্রো নেতো (চেলসি), রাফায়েল লেয়াও (গ্যালাতাসারাই)।

সর্বশেষ :

ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা   ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ   লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন   হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না   এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য   বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।   মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি   সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে   বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে