আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরিতে অভিযুক্ত হলো গ্রোক


আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরিতে অভিযুক্ত হলো গ্রোক
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গ্রোক টুল অপব্যবহার করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর ফলে ইলন মাস্কের সংস্থা এক্স-এর বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আপত্তিকর ও বেআইনি কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে এক্সকে ইতোমধ্যে কয়েকটি দেশ থেকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়, বেআইনি কনটেন্ট অনতিবিলম্বে সরিয়ে ফেলতে হবে। আর এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা রিপোর্ট আকারে দ্রুত জানাতে হবে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ইদানীং গ্রোক ব্যবহার করে আপত্তিকর ছবি তৈরি ও ছড়ানোর অভিযোগ বেড়েছে, বিশেষ করে নারীর আপলোড করা ছবিকে ঘিরে এমন কনটেন্ট তৈরির ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশের আইনপ্রণেতা ও নাগরিক সমাজের সংগঠন কঠিন পদক্ষেপের দাবি উপস্থাপন করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকটি দেশের স্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি আইন (ডিজিটাল মিডিয়া এথিকস কোড) নীতিমালা না মেনে ডিউ ডিলিজেন্স আইন লঙ্ঘন করায় অভিযুক্ত হয়েছে এক্স। অভিযোগে বলা হয়, আইন লঙ্ঘন করে এমন সব কনটেন্টের প্রবেশাধিকার বন্ধ করতে হবে। ডিজিটাল প্রমাণ নষ্ট না করে তা সংরক্ষণ করা জরুরি। গ্রোক টুলের পরিচালন কাঠামো ও প্রযুক্তিগত নকশা পর্যালোচনা করতে হবে। অন্যদিকে, বেআইনি কনটেন্ট প্রতিহত করতে জোরালো সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। যে কোনো কারণে নিয়ম ভাঙলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বন্ধ (সাসপেন্ড) করার তাগিদ দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ (এক্স) বলছে, তারা বেআইনি কনটেন্টের বিরুদ্ধে নিয়মিত ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। শিশু নির্যাতনে অভিযুক্ত কনটেন্ট নিয়মিত সরানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়। বিশেষ প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা সংস্থার সহযোগিতা নেওয়া হয়। বিবৃতিতে এক্স সেফটি বলেছে, গ্রোক ব্যবহার করে কেউ বেআইনি কনটেন্ট তৈরি করলে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত রয়েছে, যেমনটা সরাসরি কনটেন্ট আপলোডের ক্ষেত্রে করা হয়। ডিজিটাল আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমকে অবশ্যই তাদের প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত যে কোনো ধরনের কনটেন্টের দায় নিশ্চিত করতে হবে। ভুয়া ও বেআইনি কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই জবাবদিহি হবে প্রধান শর্ত।