প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

বিনোদন

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন।

আরও খবর

দ্বাদশ শ্রেণি পার না হওয়ার আক্ষেপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক কারিনা


দ্বাদশ শ্রেণি পার না হওয়ার আক্ষেপ, ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক কারিনা
একাডেমিক লেখাপড়া শেষ করতে না পারার আক্ষেপ এখনও বয়ে বেড়ান বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। বলিউডডে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য একাদশ শ্রেণির পর পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন আফসোস হয় বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই দুই ছেলে তৈমুর ও জেহকে আগে পড়াশোনা শেষ করার পর নিজেদের পছন্দের পথে হাঁটতে উৎসাহ দেন তিনি। সম্প্রতি পডকাস্টার হনুমান দাসের সঙ্গে আলাপচারিতায় নিজের শিক্ষাজীবন ও ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলেন কারিনা। অভিনেত্রী জানান, কিশোর বয়সেই পড়াশোনার বদলে অভিনয়কে বেছে নিয়েছিলেন তিনি। কারিনা কাপুর বলেন, ‘আমি পড়াশোনা শেষ করিনি। বিষয়টি নিয়ে আমার মনে একটা আক্ষেপ হিসেবে রয়ে গেছে। যেটা সারাজীবন থাকবে। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সিনেমায় চলে আসি এবং একাদশ শ্রেণির পর আর পড়াশোনা করিনি। অনেকে বিষয়টি নিয়ে মজা করতে পারেন বা নানা কথা বলতে পারেন। কিন্তু আমি একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম।’ তবে সময়ের সঙ্গে নিজের সেই সিদ্ধান্তকে ভিন্নভাবে দেখতে শুরু করেছেন কারিনা। অভিনেত্রীর মতে, জীবনে নিজের পছন্দের কাজ করার পাশাপাশি শিক্ষার গুরুত্বও রয়েছে। আর সে কারণে নিজের সন্তানদের ক্ষেত্রে তিনি ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারিনা বলেন, ‘পড়াশোনা শেষ না করার বিষয়টি আমাকে কষ্ট দেয়। এ কারণে আমি আমার ছেলেদের আগে পড়াশোনা শেষ করতে বলেছি। এরপর তারা নিজেদের মনের কথা অনুসরণ করবে।’ সাইফ আলি খান-কারিনার দুই ছেলে তৈমুর ও জেহ। সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কারিনা বরাবর সচেতন। নিজের অপূর্ণ শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি। শুধু নিজের সন্তানদের জন্য নয়, ভারতে মেয়েদের শিক্ষার প্রসারেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন কারিনা। ২০১৪ সাল থেকে ইউনিসেফের বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মেয়েদের শিক্ষা, লিঙ্গসমতা এবং শিশুদের মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। নিজের পড়াশোনা শেষ করতে না পারার আক্ষেপের সঙ্গে এই কাজের একটি ব্যক্তিগত যোগসূত্রও রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পড়াশোনা ছেড়ে অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার পর খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি কারিনাকে। ২০০০ সালের ৩০ জুন জে পি দত্ত পরিচালিত ‘রিফিউজি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় তার। এতে অভিষেক বচ্চনের বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। সিনেমাটি মুক্তির সময় কারিনার বয়স ছিল ১৯ বছর; কিছুদিন পরই ২০ বছরে পা দেন অভিনেত্রী। এরপর দুই দশকের বেশি সময় ধরে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন কারিনা। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে পেয়েছেন জনপ্রিয়তা ও প্রশংসা। বর্তমানে তার হাতে রয়েছে ‘দায়রা’ সিনেমা। মেঘনা গুলজার পরিচালিত এই ক্রাইম থ্রিলারে পুলিশের ডিসিপি অজুনি কোহলির চরিত্রে অভিনয় করছেন কারিনা। তার বিপরীতে রয়েছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, যিনি অভিনয় করছেন ডিসিপি রমন কুমারের চরিত্রে। মেঘনা গুলজারের সঙ্গে আরও কয়েকজনের লেখা সিনেমাটিতে কোনো গান থাকছে না। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর মুক্তির কথা রয়েছে ‘দায়রা’র।