নির্বাচনের ছুটিতে মুন্সীগঞ্জে ঘরমুখী মানুষদের পথে পথে ভোগান্তি।
অনলাইন নিউজ ডেক্স
নির্বাচনের ছুটিকে কেন্দ্র করে ঢাকা-মাওয়া এক্রপ্রেসওয়ে এবং ঢাকা চট্রগ্রাম মহসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। এতে পরিবহনগুলোর বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। এক্রপ্রেসওয়ের নিমতলা, হাসাড়া, ষোলঘর ও শ্রীনগর এলাকায় বাস থামিয়ে যাত্রী না নেওয়া এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রম্নয়ারী) সকাল থেকে এসব পয়েন্টে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক যাত্রী পরিবহন না পাওয়ার অভিযোগ করেন। যাত্রীদের দাবি, বাসগুলো ফাঁকা আসন থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় স্টপেজ থেকে যাত্রী তুলছে না। কেউ কেউ জানান, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ দাবি করা হচ্ছে।নিমতলা এলাকায় অপেক্ষমাণ চাকরিজীবী রহমতুল্লাহ বলেন, সকাল থেকে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছি। কয়েকটি বাস গেলেও আমাদের নেয়নি। অফিসে জরম্নরি কাজ থাকলেও পৌঁছাতে পারছি না। ভাড়া চাইলেও বেশি চাইছে।খালেদা নামে এক গৃহিণী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাচ্চা নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছি প্রায় এক ঘণ্টা। বাস থামছে না। যারা নিচ্ছে, তারা বাড়তি ভাড়া চাইছে। এভাবে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেওয়া ঠিক না।এদিকে সকাল হতে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ অন্যান দিনের তুলনায় বেশি দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, নির্বাচনের ছুটিতে যাত্রী চাপ বাড়লেও সার্বিক যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।এ ব্যাপারে এক্রপ্রেসওয়েতে যাতায়াত করা গাংচিল পরিবহনের সার্বিক দায়িত্বে থাকা মোহাম্মদ আলী বলেন, সকাল হতেই আজ যাত্রী বেশী ছিলো । তবে রা¯ত্মায় কোন যাটজটের সৃষ্টি হয়নি।এ ব্যাপারে হাসাড়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ এটিএম মাহমুদুর হক বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে বলেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় সড়কে যানবাহন অনেক বেশি। প্রচুর গাড়ি চলাচল করছে তবে কোন যানযট নেই। বাড়তি ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে বাড়িতে ভাড়া নেওয়ার কোন অভিযোগ নেই।
