বাংলাদেশের কাছে কী চায় ইরান, জানালেন রাষ্ট্রদূত


বাংলাদেশের কাছে কী চায় ইরান, জানালেন রাষ্ট্রদূত
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে মার্কিন ও ইসরাইলি বাহিনী। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। হতাহত হয়েছেন বহু ইরানি বেসামরিক নাগরিক। এই পরিস্থিতিতে ওআইসি ও ন্যাম সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইরানে আগ্রাসী হামলাকারীদের সরাসরি নিন্দা করবে- এমন প্রত্যাশা করে দেশটি। বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকার ইরান দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রত্যাশার কথা জানান ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ। একই সঙ্গে ওআইসি ও জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) সদস্য। সেই হিসেবে একটি আগ্রাসী শক্তিকে সরাসরি নিন্দা বা এর প্রতিবাদ করবে, এমনটাই আমরা আশা করি। ইরান দীর্ঘমেয়াদে এ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ড্রোন ও মিসাইলসহ প্রয়োজনীয় সামরিক শক্তি রয়েছে। আমরা অন্য কোনো দেশের কাছ থেকে লজিস্টিক সাপোর্ট চাই না। আমরা শুধু চাই, একটি মুসলিম দেশ আক্রান্ত হলে অন্য মুসলিম দেশগুলো তার প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন প্রকাশ করুক। ইরানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, সবাইকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কত সংখ্যক বাংলাদেশি ইরানে আছে তার সঠিক পরিসংখ্যান এই মুহূর্তে আমার হাতে নেই। তবে আমি এতটুকু জানি, তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। যখনই কোনো ধরনের সহযোগিতা চাওয়া হবে বা কোনো বিষয় ইরান সরকারকে জানানো হবে, অবশ্যই সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ‘আমরা ইরানি বা বিদেশি- এভাবে পার্থক্য দেখি না। আমাদের দেশে বর্তমানে যারা অবস্থান করছেন, তাদের যেকোনো সমস্যায় সমাধানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সমানভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে’- এমন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন জলিল রহিমী জাহানাবাদী।