মিলছে না তেল, পাম্পে পাম্পে আশায় ঘুরছে গাড়ি


মিলছে না তেল, পাম্পে পাম্পে আশায় ঘুরছে গাড়ি
জ্বালানি তেল নিয়ে তেলেসমাতি যেন থামছেই না। সরকার বলছে, জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই। অথচ পেট্রোল পাম্পগুলোতে নেই তেল। এ সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের শঙ্কা, জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় দেশের সব পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যাবে। আজ সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। তবে গাড়ি লাইনে অপেক্ষা করলেও পাম্পে জ্বালানি মিলছে না। তেল না পাওয়ার এমন চিত্র পুরো রাজধানীজুড়ে। বেশ কিছু এলাকায় ঘুরে অধিকাংশ পাম্পই বন্ধ পাওয়া গেছে। গাড়িগুলো এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ছুটছে, তবে মিলছে না সুখবর। রোববার রাতে গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানায়, কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এছাড়া জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিয়েও তারা শঙ্কায় আছেন। পাম্পগুলোর কর্তৃপক্ষ বলছে, ২ দিন ডিপো বন্ধ থাকায় মজুত তেল বিক্রি শেষ হয়ে গেছে আগেই। আর, সোমবার থেকে তেল দিলেও মাত্র ৯ হাজার লিটার তেল পাবেন তারা, যেখানে প্রতিদিন দরকার প্রায় ২৭ হাজার লিটার। এদিকে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক পাম্প থেকে আরেক পাম্প ঘুরেও তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। ঈদে দুই দিন ডিপো বন্ধ আর সরবরাহ প্রক্রিয়া কার্যকরে ব্যবস্থা না নেওয়ার দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের, বলছেন তারা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর গত ৪ মার্চ থেকে তেল সরবরাহে রেশনিং পদ্ধতি চালু করে সরকার। ১৫ মার্চ সব ধরনের রেশনিং তুলে নেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে তেল নিয়ে কোনো সংকট নেই জানানো হলেও তেল নিয়ে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।