কুষ্টিয়ায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে পল্লী চিকিৎসকসহ দুজনকে কুপিয়ে জখম
অনলাইন নিউজ ডেক্স
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তদের হামলায় এক পল্লী চিকিৎসকসহ ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করেছে। গতকাল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার আল্লারদর্গা বাজার থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে জয়ভোগা চাররাস্তার মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—আল্লারদর্গা ইউনিয়নের জয়ভোগা গ্রামের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম (বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ফজলুল হকের ছেলে) এবং একই এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী আবু সাঈদ।
আহত আবু সাঈদ জানান, রাতে চেম্বার বন্ধ করে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথিমধ্যে জয়ভোগা চাররাস্তার মোড়ে পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জের ধরে স্থানীয় কয়েকজন তাদের গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র—কুড়াল, হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে আমাদের কুপিয়ে জখম করে।
স্থানীয়দের আর্তচিৎকারে ছুটে আসতে দেখে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ স্থানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত আবু সাঈদকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় আহত আবু সাঈদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, হামলায় জড়িতরা হলেন—জয়ভোগা গ্রামের আবু হানিফের ছেলে মাহাথির (২৪) ও মাহি (২০), নাহারুলের ছেলে রকিব (২২) ও রকি (২০), ছিয়াদের ছেলে রাজিব (২০) এবং আমদহ বোর্ডপাড়া গ্রামের শাজাহানের ছেলে সুমন (২৫)সহ আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল, যা থেকে এ হামলার সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দৌলতপুর থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
