হেবা দলিলের সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি খরচ কত?


হেবা দলিলের সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রি খরচ কত?

মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, পরিবারের নির্দিষ্ট সদস্যদের মধ্যে হেবা দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়। বর্তমানে (২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী) হেবা দলিলের জন্য সরকার নির্ধারিত রেজিস্ট্রেশন ফি ১০০ টাকা এবং স্ট্যাম্প শুল্ক ১০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী, একজন মুসলমান যদি আরেক মুসলমানকে কোনো প্রকার আর্থিক বিনিময় ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাহলে সেটিকে ‘হেবা’ বলা হয়। সাধারণত পরিবারের বয়স্ক সদস্য বা অভিভাবকগণ তাদের সন্তান, স্ত্রী, ভাইবোন কিংবা নাতি-নাতনিদের মাঝে হেবা দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি দান করে থাকেন।

আইন অনুযায়ী, ইসলামী শরিয়ার ভিত্তিতে স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান, দাদা-দাদী, নানা-নানী, ভাইবোন ইত্যাদি সম্পর্কের মধ্যে হেবা দলিল করা যায়। অতীতে মৌখিকভাবেই এ ধরনের সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পন্ন হতো, তবে পরবর্তীকালে জমি নিয়ে বিরোধ ও জটিলতা এড়াতে হেবা দলিল রেজিস্ট্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

রেজিস্ট্রেশন ফি: ১০০ টাকা
স্ট্যাম্প শুল্ক: ১০০০ টাকা
হলফনামা: ১০ পৃষ্ঠার জন্য ৩০০ টাকা
ই- ফি: ১০০ টাকা
এন- ফি: ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট প্রতি পৃষ্ঠা ২৪ টাকা
নোটিশ আবেদন ফি: ১০ টাকা কোর্ট ফি
এনএন- ফি: ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট প্রতি পৃষ্ঠা ৩৬ টাকা।
উল্লেখ্য যে, উল্লিখিত পারিবারিক সম্পর্কের বাইরে অন্য কোনো ব্যক্তিকে বা আত্মীয়কে সম্পত্তি দান করতে হলে, সাধারণত ‘দানপত্র’ দলিল বা অন্য কোনো বিক্রয় দলিলের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করতে হয়।

হেবা দলিল ও রেজিস্ট্রেশন ফি নিয়ে FAQ

প্রশ্ন: হেবা দলিল কি?

উত্তর: হেবা দলিল হলো মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী সম্পত্তির হস্তান্তর বা দান করার একটি আইনসম্মত পদ্ধতি। এটি বাংলাদেশে সম্পত্তি হস্তান্তরের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

প্রশ্ন: হেবা দলিল কাদের মধ্যে করা যায়?

উত্তর: ইসলামী শরিয়া এবং ভূমি আইন অনুযায়ী, হেবা দলিল শুধুমাত্র নিম্নলিখিত সম্পর্কের মধ্যে করা যায়:

স্বামী ও স্ত্রী
পিতা বা মাতা এবং সন্তান (ছেলে বা মেয়ে)
দাদা-দাদী/নানা-নানী এবং নাতি-নাতনি
ভাই ও বোন
প্রশ্ন: হেবা দলিলের স্ট্যাম্প শুল্ক কত টাকা?

উত্তর: সরকার নির্ধারিত হেবা দলিলের স্ট্যাম্প শুল্কের পরিমাণ হলো ১০০০ টাকা।

সর্বশেষ :

ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১   ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির   মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ   মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক   একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক মডেল মেঘনার দাবি: মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার পেছনে দায়ী ‘ডার্বি নাসির’   মডেল মেঘনার দাবি: মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার পেছনে দায়ী ‘ডার্বি নাসির’ শেখ হাসিনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনূসের পর বিএনপি সরকারও চাহিদা মেটাচ্ছে সেই মজুদে   শেখ হাসিনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনূসের পর বিএনপি সরকারও চাহিদা মেটাচ্ছে সেই মজুদে ভারতের সরবরাহকৃত তেলে মজুদ পর্যাপ্ত, জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত   ভারতের সরবরাহকৃত তেলে মজুদ পর্যাপ্ত, জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ কেনায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি   অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ কেনায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি