প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

আইফোন চুরির অপবাদে যুবককে মারধর, মাথার চুল কর্তন


আইফোন চুরির অপবাদে যুবককে মারধর, মাথার চুল কর্তন
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে রুহুল হোসেন (২০) নামে এক যুবককে আটকে রেখে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের জয়রামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত রুহুল হোসেন পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা উপজেলার স্বরূপের ঘোপ এলাকার রশিদ হাজামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রুহুল হোসেন জয়রামপুর বাজারে গেলে সেখানে বসে থাকা এক ব্যক্তির আইফোন চুরির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন তাকে আটক করে একটি দোকানের পিলারের সঙ্গে বেঁধে মারধর করেন। একপর্যায়ে তার মাথার চুলও কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। দৌলতপুর থানা পুলিশ জানায়, মারধরের একপর্যায়ে রুহুলের একটি পা ভেঙে যায়। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠান। দৌলতপুর থানার এএসআই নজরুল বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রুহুলকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকের মাধ্যমে জানা যায়, তার একটি পা ভেঙে গেছে। এছাড়া হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত রয়েছে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, আহত অবস্থায় থাকায় ওই সময় পুলিশ তাকে নিয়ে মামলা করার প্রক্রিয়ায় যায়নি। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, আমি বর্তমানে দৌলতপুরে নেই, কুষ্টিয়ায় এসেছি। এ কারণে ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তবে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগের সত্যতা এবং যুবককে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা-তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।