টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত


টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত পাঁচজনের পরিচয় শনাক্ত
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামের স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। যমুনা সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন নারী, দুজন পুরুষ ও একটি শিশু রয়েছে। নিহত ব্যক্তিরা হচ্ছেন নীরব (১২), নার্গিস (৩০), দোলা (৫০), সুলতান (২৮) ও রিফা (২০)। তারা গাইবান্ধা জেলার সাদুল্যাপুর উপজেলার ধাপেরহাট এলাকার দুই পরিবারের সদস্য। তারা সবাই টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের গোড়াই এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। ঢাকার বনশ্রী পরিবহনের একটি বাস ভাড়া করে তারা মির্জাপুরের পোশাক কারখানায় যাচ্ছিলেন। নিহত রিফার ভাই ও অপর পোশাকশ্রমিক বায়জিদ বোস্তামী জানান, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থেকে বনশ্রী পরিবহনের একটি বাস রিজার্ভ করে মির্জাপুরের পোশাক কারখানায় যাচ্ছিলেন তারা। যাত্রীবাহী বাসটি জ্বালানি শেষ হয়ে ধলাটেঙ্গর এলাকায় থামে। এ সময় বাসের চালক ও সহকারী তেল সংগ্রহের জন্য যাত্রীদের নামিয়ে কাছাকাছি পাম্পে চলে যান। অপেক্ষারত অবস্থায় কয়েকজন যাত্রী পাশের রেললাইনে বসে ছিলেন। এমন সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দ্রুতগতিতে ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় পাঁচজন ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। ঘটনার খবর পেয়ে যমুনা সেতু পূর্ব থানা-পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামের স্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসে ছিলেন। ঢাকাগামী সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি দ্রুতগতিতে ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় লাইনে বসে থাকা যাত্রীরা ট্রেনের কোনো শব্দ পাননি। ফলে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে তারা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।