মুস্তাফিজের জাদুতে শেষ ওভারে রংপুরের রুদ্ধশ্বাস জয়


মুস্তাফিজের জাদুতে শেষ ওভারে রংপুরের রুদ্ধশ্বাস জয়
শেষ ৬ বলে প্রয়োজন ১০ রান। ফিফটি করে তখনও ক্রিজে মোহাম্মদ মিঠুন, অন্য প্রান্তে সাব্বির রহমান। ওই মুহূর্তে জয়ের পাল্লা হেলে ঢাকা ক্যাপিটালসের দিকে। কিন্তু অসাধারণ বোলিংয়ে সব সমীকরণ বদলে দিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিল রংপুর রাইডার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) বিপিএলের রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ৫ রানে জিতেছে রংপুর। ১৫৫ রানের পুঁজি গড়ে ঢাকাকে ১৫০ রানে আটকে দিয়েছে তারা। আসরে এটি রংপুরের টানা দ্বিতীয় জয়। আর জয় দিয়ে আসর শুরু করা ঢাকা পরপর তিন ম্যাচে পেল পরাজয়ের তেতো স্বাদ। শেষ ওভার করতে এসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কথা হয়তো মনে পড়েছিল মুস্তাফিজুর রহমানের। সেদিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সুপার ওভারে বোলিংয়ে এসে ম্যাচ জেতাতে পারেননি তিনি। আজ ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে তাই হয়তো পণ করেছিলেন। রংপুরকে জয় এনে দিতে হবে। আজ রোবার পেরেছেনও মুস্তাফিজ। ৬ বলে ১০ রানের সমীকরণে জাদু দেখিয়েছেন তিনি। বাঁহাতি পেসারের স্লোয়ার, কাটার ও ইয়র্কারে বিভ্রান্ত হয়ে মাত্র ৪ রান নিতে পেরেছেন মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান। তাতে ৫ রানের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে রংপুর। রংপুরের টানা দ্বিতীয় জয়ে ভেস্তে গেছে মিঠুনের ফিফটি। সর্বশেষ দুই ম্যাচে জয় না পাওয়া ঢাকার মুখে আজ হাসি এনে দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন তিনি। কিন্তু শেষটা মেলাতে পারলেন না ৫৬ রানে অপরাজিত থাকা ঢাকার অধিনায়ক। অথচ রান তাড়ার শুরু থেকে ম্যাচটা তাদের হাতেই ছিল।, তবে শেষ ওভারে মুস্তাফিজ সব সমীকরণ পাল্টে দিলেন। এর আগে মাহমুদ উল্লাহর ফিফটিতে ১৫৫ রানের সংগ্রহ পায় রংপুর। এবারের বিপিএলে প্রথম ফিফটির ইনিংসটি খেলেছেন ৫১ রানের। তার ৭ চারের ইনিংসের বিপরীতে শেষ দিকে ৩৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে দেড়শোর্ধ্ব সংগ্রহ এনে দেন খুশদিল শাহ। ১৮০.৯৫ স্ট্রাইরেটের ইনিংসে ৪ চারের বিপরীতে ২ ছক্কা হাঁকিয়েছেন পাকিস্তানের অলরাইন্ডার। এ ছাড়া আজ তিনে নেমে ৩৩ রান করেছেন রংপুরের হয়ে আগের তিন ম্যাচে ওপেন খেলা ডেভিড মালান। ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট নিয়েছেন জিয়াউর রহমান।