মুন্সীগঞ্জে দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা।
অনলাইন নিউজ ডেক্স
সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে জেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পীরা। জেলার পূজা মণ্ডপ গুলোতে প্রতিমা তৈরি ও সাজসজ্জা সামনে রেখে সনাতন ধর্মালম্বীদের মধ্যে বইছে আনন্দের জোয়ার।মুন্সীগঞ্জে এ বছর ৩৫৭টি স্থায়ী এবং অস্থায়ী পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে পূজা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
মুন্সীগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দাস ববি ডোনেট বাংলাদেশকে বলেন, জেলার ৬ টি উপজেলায় এ বছর ৩৫৭ টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৪৪ টি, গজারিয়ায় ১০ টি,টংগীবাড়ীতে ৫২ টি, সিরাজদিখানে ১২৯ টি,লৌহজংয়ে ৩৭ টি এবং শ্রীনগরে ৮৫ টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্যে দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠীপূজার মধ্যেদিয়ে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ১৭ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী ও ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে। এ বছর দেবীর মর্ত্যে আগমন ঘটবে ঘোটকে বা ঘোড়ায় আর গমন করবেন নৌকায়।রিকাবিবাজার পৌর এলাকার পাল বাড়ির আখরায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কারিগররা বাঁশ, ছন, খড় এবং মাটি দিয়ে দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন।প্রতিমা নির্মাণ কারিগর মানিক পাল ডোনেট বাংলাদেশকে জানান,প্রতিমার কাঠামো তৈরির কাজ চলছে। এ বছর ২৩ টি প্রতিমা তৈরির কাজ পেয়েছেন। তিনি জানান, যে সব মন্দির থেকে প্রতিমা বানানোর কাজ পেয়েছি তারা পূজার কয়েকদিন আগে প্রতিমা মন্দিরে নিয়ে যাবে। সেখানে রংসহ সাজ সজ্জার কাজ করা হবে।ইদ্রাকপুরের শ্রী শ্রী লক্ষী নারায়ণ জিউর মন্দির পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দাস ববি ডোনেট বাংলাদেশকে বলেন,শারদীয় দুর্গাপূজার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিমা ষষ্ঠীপূজার আগে মন্দিরে চলে আসবে।শ্রী শ্রী জয়কালী মাতা মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ভবতোষ চৌধুরী নুপুর ডোনেট বাংলাদেশকে জানান,এ বছর উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার সবচেয়ে বড় পরিসরে জাকজমকপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয় এ মন্দিরে। রিকাবীবাজারের পাল বাড়িতে প্রতিমা বানানো হছে। পূজার আগেই মন্দিরে চলে আসবে। এ মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়না। সারাবছর মণ্ডপে প্রতিমা সংরক্ষণ করে পূজা অর্চনা করা হয়।
