প্রকাশিতঃ সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

মাগুরায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় কোটি টাকা তসরুপের অভিযোগ।


মাগুরায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রায় দেড় কোটি টাকা তসরুপের অভিযোগ।
মাগুরার শালিখায় সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধিত “শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড” নামে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আমানতকারীদের সঞ্চিত প্রায় দেড় কোটি টাকা তসরুপের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শালিখা উপজেলার শ্রীহট্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহারুল ইসলাম ক্রেডিট ইউনিয়নের একাউন্ট থেকে মোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ৫ হাজার টাকা সরিয়ে উপজেলার জুনারি, হাজরাহাটি ও আড়পাড়া এলাকার এক একর ৯৯ শতাংশ জমি নিজ নামে খরিদ করেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।তথ্যানুসন্ধ্যানে জানা গেছে,শিক্ষক কর্মচারী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড নামের এ আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি ২০১৩ সাল থেকে জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া বাজারে কার্যক্রম শুরু করে। সমবায় অধিপ্তরের নিবন্ধন সাপেক্ষে তারা সদস্য সংগ্রহ করে জামানত তৈরি এবং ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। বর্তমানে এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটিতে ৫শত ৪৬ জন আমানতকারী রয়েছে। ইতোমধ্যে যাদের সঞ্চিত তহবিলের পরিমান প্রায় ৬ কোটি টাকা।ক্রেডিট ইউনিয়নের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি তে ৬ সদস্যের একটি পরিচালনা কমিটি থাকলেও চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম একক উদ্যোগে গত বছরের ২৩ জুলাই থেকে চলতি বছরের ৬ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের শালিখা শাখায় ক্রেডিট ইউনিয়নের দুটি হিসাব থেকে পাঁচ কিস্তিতে মোট ১ কোটি ৪৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ৫ জন ব্যক্তির হিসাব শাখায় স্থানান্তর করেছেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে এক একর ৯৯ শতাংশ জমি নিজ নামে খরিদ করেছেন। আবার সমুদয় জমির বিপরীতে নিজ নামে অপ্রত্যাহার যোগ্য আম মোক্তারনামা দলির সম্পাদন করে নেওয়ায় ওই দলিলে জমির প্রকৃত মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। এমনিভাবে ক্রেডিট ইউনিয়নটির আমানত কারীদের অর্থ আত্মসাথের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ।