ভোট কারচুপির অভিযোগে আরও ৫ প্রার্থীর মামলা


ভোট কারচুপির অভিযোগে আরও ৫ প্রার্থীর মামলা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করেছেন আরও ৫ প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৪ জন বিএনপি ও একজন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী। বুধবার (১১ মার্চ) এ মামলা করেন তারা। মামলা করা বিএনপির ৪ প্রার্থী হলেন— গাইবান্ধা-৫ আসনের ফারুক আলম সরকার, ঢাকা-৫ আসনের নবী উল্লাহ নবী, পাবনা-৩ আসনের হাসান জাফির তুহিন ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। এছাড়া খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হলেন দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হক। গাইবান্ধা-৫ আসনে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়ারেছ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট। ঢাকা-৫ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট। কুষ্টিয়া-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আফজাল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬০৩ ভোট। ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি। পাবনা-৩ আসনে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মাদ আলী আছগার। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির প্রার্থী মো. হাসান জাফির তুহিন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট। এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে ১৪টি, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ৮টি এবং স্বতন্ত্র এক প্রার্থীর কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যালট ও রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্টের নির্বাচনী বেঞ্চ। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে করা ‘নির্বাচনী’ আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে নির্বাচনী বেঞ্চ গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের শুনানি চলছে।