রাজশাহীর ছোট এক ক্লাব থেকে শুরু করে অলিম্পিকের মঞ্চে জায়গা করে নেওয়া- আর্চার সাগর ইসলামের গল্পটা সংগ্রাম, ত্যাগ আর অদম্য পরিশ্রমের এক অনন্য উদাহরণ। বাবাকে হারানোর পর মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তি হওয়ার লড়াই, কোচদের নিবিড় পরিচর্যা এবং নিজের কঠোর অনুশীলনের মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন দেশের অন্যতম সেরা এই আর্চার।
অলিম্পিকে সরাসরি কোয়ালিফাই করা, মায়ের মুখে সাফল্যের হাসি ফোটানো, শৈশবের কঠিন সময়, জনপ্রিয়তার পর বদলে যাওয়া জীবন সবকিছু নিয়েই সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন সাগর ইসলাম। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফারজানা ববি।
# রাজশাহীর ছোট জায়গা থেকে অলিম্পিকের মঞ্চে- এই যাত্রাটা এখন যদি ফিরে দেখেন, কেমন লাগে?
সাগর: এত ইজি ছিল না এতদূর পর্যন্ত আসা। প্রথমত একটা ক্লাব থেকে শুরু করা, যেটার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না ওখান থেকে কী করব বা কী হবে।
তো ওখান থেকে পরবর্তীতে বিকেএসপিকে জানা। বিকেএসপিতে অনেক ট্রাই করে- ২০১৭ সালে ট্রাই করার পরেও হয়নি।
তো আমি ১৮ সালে আবার ট্রাই করছি। ১৯ সালে ভর্তি হইছি। তো এই যাত্রাটা অনেক বেশি হার্ড ছিল আমার জন্য। কারণ আমি ২০১৯ সালে যখন বিকেএসপিতে জয়েন হই, তখনও অনেকটা ডিফিকাল্ট একটা পজিশন ছিল। বিকেএসপি আসা পর্যন্ত অনেক স্ট্রাগল করতে হয়েছে। যেহেতু আমার বাবা নাই, আমার মা দোকান করে আমাদেরকে মানুষ করছে। যথেষ্ট পরিমাণ সাপোর্ট আমাকে দিয়ে গেছে। যে কোনো সময় টাকা লাগলে বা যে কোনো মুহূর্তে ঢাকা খেলতে আসা লাগলে সব রকম সহযোগিতা সে করছে বিধায় আমি বিকেএসপিকে জানতে পারছি। এবং খেলাটা পরবর্তীতে আমি কোন লেভেলে যাব বা যাওয়ার ইচ্ছা ওখান থেকেই তৈরি হয়েছে। আমি যদি ঢাকায় খেলতে না আসতাম, তাহলে আমি হয়তোবা বিকেএসপিকেও চিনতাম না বা আমার বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়া হতো না। তারপরে বিকেএসপিতে ভর্তি হইলাম এবং ওখান থেকেই শুরু প্রথম আমার হাতে রিকার্ভ। যেহেতু আমি তো রিকার্ভ ইভেন্টের। আমার হাতে প্রথম রিকার্ভ তুলে দেয় এমডি নূরে আলম স্যার। তারপর থেকেই যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে কোরিয়ান কোচ আসলো, তার কাছে হার্ড প্র্যাকটিস করলাম। স্যার-ম্যাডামরা আরও হেল্প করলো। তারপরে আস্তে আস্তে ন্যাশনাল। ভালো করলাম, ভালো করার পরে ন্যাশনাল টিমে। তো পরবর্তীতে জানার পরে বিদেশে বাইরে গেমগুলো করলাম। তারপরে আলহামদুলিল্লাহ্ সর্বোচ্চ অর্জন হচ্ছে অলিম্পিকে কোয়ালিফাইড ডিরেক্টলি। আলহামদুলিল্লাহ্, সিলভার পেয়ে। তো বলাটা যতটা ইজি, ওয়েটা এত ইজি ছিল না। সময়গুলো অনেক কষ্টে বা অনেক হার্ডওয়ার্ক করেই এতদূর আসছি।
# আপনার মা দোকান চালিয়ে আপনাকে বড় করেছেন। যখন আপনি দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন, তখন আপনার মায়ের মুখের হাসিটা কেমন লাগে?
সাগর: আমি একটা সাকসেসফুল ছেলে যে আমার মা এত কষ্টের পরে আমি তার মুখে হাসিটা দেখতে পারছি। সে তো প্রথমত বোঝে নাই যে অলিম্পিক কোয়ালিফাই করছি তো কী হইছে। আমি যখন তাকে বলি, ঈদ ছিল তখন। ঈদের দিন আমি সন্ধ্যার একটু আগে কোয়ালিফাই করছিলাম। তো সে মোমেন্টে আমি বলছি যে, মা আমি কোয়ালিফাই করছি, এরকম এরকম। কিন্তু সে ওরকমভাবে বোঝে নাই। অলিম্পিক কোয়ালিফাই করছি আলহামদুলিল্লাহ্, সে খুশি। পরবর্তীতে যখন মিডিয়া যাওয়া শুরু হলো, সবার অনেক তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল। তাকে নিয়ে অনেক আলোচনা শুরু হয়ে গেল। সে খাইতে পর্যন্ত পারে না, একটার পর একটা সাংবাদিক তাকে কল দেয়, আসতে চায়। তো পরবর্তীতে এই বিষয়গুলো যখন সে বুঝতে পারলো যে আসলে অলিম্পিক কোয়ালিফাইটা কী। আমি যখন কোয়ালিফাই করে বাংলাদেশে ফিরে আসি, একটা সংবর্ধনা দেওয়া হলো সিটি গ্রুপ থেকে।তখন আমি তার মুখে যে হাসিটা দেখছি, সেটা আমি ভাষায় প্রকাশ করে বলতে পারব না। তখন আমার কাছে মনে হয়েছে না যে, আমি একটা সার্থক ছেলে। বা আমি তার জন্য কিছু একটা করতে পারছি। তার কষ্টগুলো হয়তো সে পুরোটা না ভুললেও অনেকটা ভুলে যেতে পারছে বা অনেকটা বলতে পারছে যে, তার কষ্ট সার্থক।
# ১৮ বছর হওয়ার আগেই কোয়ালিফাই করেছিলেন, তো ওই ব্যাপারটা কি এখনো স্বপ্নের মতো লাগে?
সাগর: স্বপ্নের মতো না আসলে। ওয়েটা অনেক হার্ড ছিল, বললাম না অনেক স্ট্রাগল করে এ পর্যন্ত আসছি। তো কোনো কিছু স্বপ্ন না। যেহেতু কষ্ট করে আসছি। যদি ইজিলি পেয়ে যেতাম, তাহলে হয়তোবা মনে হতো স্বপ্নের মতো হয়ে গেছে। বাট আসলে ওরকম মিরাকেল বা ওরকম কিছু ছিল না। আমরা ভালো খেলছি। ভালো খেলার পরেই এমনটা আসছে। আর তার আগে অনেক বেশি হার্ডওয়ার্ক করছি বিকেএসপিতে, যেটা কোরিয়ান কোচ করিয়েছে। আমার এমনও ছিল ন্যাশনাল টিমে আসার আগে, শেষের দিকে ও (কোচ) আমাকে সকালে প্র্যাকটিস করানোর পরে শুধু আমাকে দুপুরে খাইতে পাঠাইতো। আমি ওভাবেই খেয়ে তারপর মাঠে আসতাম। আমাকে প্র্যাকটিস করাইতো, উনি একাই করাইতো। পেছনে উনি বসে থাকতো। তারও অনেক ত্যাগ ছিল, অনেক কষ্ট করছে আমার জন্য। এইজন্যই আমি এতদূর আসতে পারছি। বিকেএসপির আর কোচদের ভুলে গেলে হবে না। তাদেরও অনেক বেশি অবদান আমার পিছনে আছে। যেমন নূরে আলম স্যার যথেষ্ট পরিমাণে আমাকে সাপোর্ট করছে, রীনা ম্যাডামও সাপোর্ট করছে। তারা দুজন এবং সজীব স্যার এই তিনজন মিলে আমাকে অনেক বেশি সাপোর্ট করছে বলে আমি এত ইজিলি নিজেকে বিল্ড আপ করতে পারছি। কোরিয়ান কোচ অবশ্যই আমার পিছনে হার্ডওয়ার্ক করছে, আমাকে উঠাতে সাহায্য করছে, বাট ওনাদেরও পরিশ্রম কম ছিল না।
# তুরস্কে কোয়ালিফিকেশন টুর্নামেন্টে যখন সেমিফাইনালে উঠলেন, ওই মুহূর্তের অনুভূতি বলেন।
সাগর: যে সেমিফাইনালের কথাটা বলছেন, ওখানে আমি কোয়ার্টার ফাইনালে জিতে তারপর হচ্ছে সেমিফাইনালে আসছি। তো ওখানে দেখলাম রুবেল ভাই তার আগেরটায় হারছে, রাম ভাই হেরে গেল। তখন আমি মনে মনে চিন্তা করছিলাম যে, আমি জেতার জন্য খেলব না, আমি আমার সেরাটা দিব, অটোমেটিক্যালি হয়ে যাবে। আমার স্পষ্ট মনে আছে, আমি সেই সময় পাশে গিয়ে দাঁড়াইছিলাম, নিজেরে নিজেকে কন্ট্রোল করছিলাম। মার্টিন স্যার ছিল, কোচ ছিল। এইজন্য আরও অনেক বেশি হেল্প পাইছি। সবকিছু মিলিয়ে অনেক সাপোর্ট করছে। ওই মোমেন্টে আমার মনে পড়ে যে, আমি নিজেকে কন্ট্রোল করে মারছিলাম। মনে হচ্ছিল যে আমি সেরা, আমি পারব। এরকম একটা পজিটিভ থিংক ছিল।
# আপনার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় কোনটা ছিল?
সাগর: অনেক কঠিন সময় তো পার করছিই।সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল মাকে ছেড়ে ঢাকায় আসা। কঠিনের ভেতরে এটা সবচাইতে বড় কঠিন ছিল। ক্লাস সেভেনে বিকেএসপিতে ভর্তি হইছি। তার আগে আমি যখন বাসায় থাকতাম আম্মুর সাথে ঘুমাইতাম, আম্মুর সাথে থাকতাম, মা ছাড়া কিছু বুঝতাম না। পরবর্তীতে যখন ভর্তি হইলাম বিকেএসপিতে, তখন থেকে তো আর মা নাই। আমি যখন চলে যাই, সে সময় আমাকে বিকেএসপি গেটে ঢুকায় দিয়ে যখন রেখে আসে, তখন আমার জন্য সবচাইতে কষ্টদায়ক মোমেন্ট ছিল এবং ওই সময়টা আমার ভোলার মতো না। আস্তে আস্তে সবকিছুই ঠিক হয়ে গেছে, বাট ওটাই কঠিন সময়।
# সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বাড়ার পর জীবন কতটা বদলে গেছে?
সাগর: এখন চাইলে আর আগের মতো ওভাবে ফ্রিলি চলতে পারি না। যে কোনো কিছু চাইলেই করা যায় না। কারণ যেহেতু অনেক মানুষ আছে, সবকিছু চাইলেই করা যায় না। আগে একটা বিষয় ছিল, এখন অন্য বিষয়। এই আর কি। আলহামদুলিল্লাহ্, এনজয় করি। এটা নিয়ে ওরকম প্যারা বা কোনো কিছু না, ভালো লাগে মাঝে মাঝে।
# আপনার ছেলেবেলায় সবচেয়ে সুন্দর ঈদের মুহূর্ত কোনটা ছিল?
সাগর: সবচাইতে সুন্দর হচ্ছে যদিও বাবা নাই, ছোটবেলা থেকেই তো বাবা নাই। ছোটবেলাতেই যখন মা গোসল করিয়ে দিতো, গোসল করানোর পরে সুরমা, তারপরে পাঞ্জাবি পরিয়ে যখন নামাজে পাঠাইতো, এই মোমেন্টটা আমার খুব মনে পড়ে। নিজে হাতে রেডি করে দিত, মাথায় তেল দিয়ে, চিরুনি করে তারপর পাঠাইতো। আমরা দুই ভাই নামাজ পড়তে যাইতাম। এই মোমেন্টটা আমি মিস করি।
# বাংলাদেশে আর্চারির ভবিষ্যৎ আপনি কীভাবে দেখছেন?
সাগর: এখন অবশ্যই সবকিছু চেঞ্জ হইছে, আগের মতো কিছুই নাই। এখন আমরা অনেক বেশি ফ্যাসিলিটিজ পাচ্ছি, আলহামদুলিল্লাহ্। অবশ্যই আমাদের ভালো করার ক্ষুধাটাও বাড়ছে। ইনশাল্লাহ আমরা চেষ্টা করতেছি। সবাই আমরা অনেক বেশি হার্ডওয়ার্ক করি। এখন আপনি যদি দেখেন আমাদের নরমালি প্র্যাকটিস টাইম সাড়ে তিনটায়, আমরা আড়াইটা-দুইটার সময় নেমেও প্র্যাকটিস শুরু করি। কারণ আমাদের ভিতরে ক্ষুধাটা আছে যে আমাদেরকে করতে হবে। যেহেতু বর্তমানে প্লেয়ারদের অনেক বেশি ফ্যাসিলিটিজ দেওয়া হচ্ছে, আবার আমাদের সামনে এশিয়ান গেমস আছে, সব মিলিয়ে ভবিষ্যৎ এখন আগের থেকে অনেক বেটার। যেমন আপনি যদি দেখেন আগে রুবেল ভাই, রোমান ভাই, দিয়া আপু তারা চলে গেছে শুধু ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে যে তাদের কি হবে। এখন যেহেতু ক্রীড়া ক্ষেত্রে প্লেয়ারদেরকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে- আগে এরকম ছিল না। এখন আমরা অনেকটা চিন্তামুক্ত বলতে পারেন।
# সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বাংলাদেশের অ্যাথলেটদের সবচেয়ে বড় সমস্যাটা কী?
সাগর: আমার কাছে আগে কিছুই মনে হতো না যে, টাকা-পয়সা বা এরকম ফ্যামিলি চিন্তা আমার মাথায় কিছু আসতো না। তখন রুবেল ভাই, রোমান ভাইদেরকে দেখতাম তারা একটু টেনশন করতো টাকা-পয়সার বিষয়টি নিয়ে যে তারা ভালো খেলতেছে, তারা মেডেল এনে দিচ্ছে, বাট ওরমভাবে হচ্ছে না। সর্বশেষে মানুষ কী চায়? ভালো থাকতে চায়। ভালো থাকতে হলে তাদের টাকা লাগবে। তারা ভালো খেলতেছে ওরমভাবে টাকা-পয়সা পাচ্ছে না, তাহলে এত কষ্ট করে কী করবে? এটাই ছিল তাদের কাছে মেইন এবং তাদের ফ্যামিলি চালানো লাগতো। আমার তো ফ্যামিলি চালানো লাগে নাই, এর জন্য ওই মোমেন্টে আমার কাছে এগুলো কিছু মনে হতো না। বাট এখন একটু একটু বোঝা শিখছি, এখন বুঝতে পারি যে তাদের কষ্টটা কী ছিল।
# আপনি একটা ইন্টারভিউতে বলেছিলেন আপনার অলিম্পিকে পদক জেতা একটা স্বপ্ন। তো এটার জন্য কি প্রিপারেশন নিচ্ছেন? মানে ২০২৮ সালের জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছেন নাকি এখন সামনে যে টুর্নামেন্ট সেটার জন্য প্রিপারেশন নিচ্ছেন?
সাগর: ২০২৮ সালটা হচ্ছে মেইন টার্গেট। কিন্তু সামনের গেমগুলোতে ভালো করাটাও আমার জন্য ইম্পর্টেন্ট। আমি যদি সামনের গেমগুলো ভালো করি, তাহলে আমার লেভেলটা আরও গ্রো করতে থাকবে, আমি আরও স্ট্রং হতে থাকব। আর অলিম্পিক একটা সবচাইতে বড় স্টেজ স্পোর্টসের দিক দিয়ে। তো ওখানে পদক পাইতে হলে নিজেকে অনেক বেশি স্ট্রং করতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ল্ড কাপ, প্রতিটি এশিয়া কাপ, এশিয়ান গেমস, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ সবগুলো খেলা লাগবে। যেগুলো আমরা করতেছি, স্টিল আমরা ওগুলোর মধ্যেই আছি। এখন মেইন টার্গেট তো ২০২৮ অবশ্যই, কিন্তু আমাদেরকে সামনেরটাও দেখতে হবে। এখন আমি যদি চিন্তা করি যে ২০২৮ সালে আমি পদক জিতব কিন্তু আমি যদি কোনো গেম না করি, তাহলে কিন্তু পসিবল না। যারা অলিম্পিকে মেডেলিস্ট তারা ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ, ওয়ার্ল্ড কাপ, এশিয়া কাপ, এশিয়ান গেমস মানে সবগুলোই, ইউরোপিয়ান গেমস- তারা সবগুলো গেমই করে। তো কনফিডেন্স বিল্ড আপ করতে হলে নিজেকে আরও বেশি স্ট্রং করতে হলে গেম খেলতে হবে। এখন আমার টার্গেট অবশ্যই সামনের গেমগুলো যেন আমি ভালো করতে পারি। কারণ ভালো না করলে আমি অলিম্পিকে কোয়ালিফাই করতে পারব না।
# জীবনে যদি আর্চার না হতেন, তাহলে কী হতে চাইতেন?
সাগর: অনেক ছোটবেলা থেকে আর্চারিতে দিয়ে দিয়েছে। তো ওরমভাবে কখনো চিন্তা করা হয় নাই যে কী হইতাম। ওই প্লেয়ারই হইতাম।
# সামনে তো ফুটবল বিশ্বকাপ। এটা নিয়ে কতটা এক্সাইটেড এবং আপনার পছন্দের দল কোনটা?
সাগর: অবশ্যই অনেক বেশি এক্সাইটেড।আমাদের রুমে আমরা সাতজন থাকি। সাতজনের ভেতরে চারজন আর্জেন্টিনা, তিনজন ব্রাজিল। আর বইলেন না (হাসি), খুব ঝামেলার মধ্যে আছি। রুমে একটা ঝামেলা লেগেই থাকে। আমি অবশ্যই আর্জেন্টিনা।