নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন
অনলাইন নিউজ ডেক্স
নিউজিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা নীতিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের (আইএনজেড) নতুন এই নিয়মে মাস্টার্স পর্যায়ে গবেষণারত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া এবং কোর্স শেষ হওয়ার পর ভিসার মেয়াদেও বিভিন্ন পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের (আইএনজেড) নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাস্টার্স বাই রিসার্চের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৫ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। তবে ছুটির সময়ে তাদের পূর্ণকালীন কাজ করার সুযোগ থাকবে। আগে এ ধরনের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের ক্ষেত্রে সীমাহীন সুযোগ ছিল।
নতুন নিয়মে ভিসার শর্ত পূরণে শিক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার দক্ষতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী ভিসার শর্তগুলো যথাযথভাবে মেনে চলতে পারবেন কি না, তা নির্ধারণে এখন থেকে এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়মের অভিযোগ নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকলে ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করতে পারবে ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ড। আগে যে পরিস্থিতিতে এ ধরনের স্থগিতাদেশ দেওয়ার সুযোগ ছিল, নতুন নিয়মে তার পরিধিও বাড়ানো হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার শর্ত পূরণের পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডের নিয়ম মেনে চলে, এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়ার বিষয়টিও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নতুন নিয়মে নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষার্থীর কোর্স শেষ হওয়ার পর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের সময় এক মাস থেকে বাড়িয়ে দুই মাস করা হয়েছে। তবে ৩১ মার্চ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার যে নিয়ম রয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকছে। আগের নিয়মে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পড়াশোনার ধরন ও মেয়াদের ওপর নির্ভর করে ৩১ মার্চ অথবা কোর্স শেষ হওয়ার এক মাস পর ভিসার মেয়াদ শেষ হতো। এখন প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোর্স শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত দুই মাস সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।
বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নতুন নিয়ম অনুযায়ী নিজেদের ভিসার শর্ত, কাজের অনুমতি এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ পুনরায় যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মাস্টার্স পর্যায়ে গবেষণারত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের পরিকল্পনায় নতুন সীমার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখতে হবে।
