একসময় দেশের প্রধান রপ্তানি খাতগুলোর অন্যতম ছিল চামড়া ও চামড়াজাত শিল্প। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চামড়ার সুনামও ছিল বেশ।
কিন্তু পর্যাপ্ত পরিবেশগত মানদণ্ড নিশ্চিত করতে না পারা, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাব, সাভারের ট্যানারি শিল্পনগরীতে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঘাটতি এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না পাওয়ায় বড় ধরনের সংকটে পড়েছে সম্ভাবনাময় এই খাত।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানির ঈদে দেশে বিপুল পরিমাণ কাঁচা চামড়া সংগ্রহ হলেও তার বড় অংশই কম দামে বা অর্ধপ্রক্রিয়াজাত অবস্থায় বিদেশে চলে যাচ্ছে।
কম দামে কেনা এসব চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশিরা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করছে। অথচ বিপুল সম্ভাবনাময় এই রপ্তানি আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে চামড়া খাত থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ছিল ১ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার। প্রায় এক দশক পর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেই আয় দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলারে।
যদিও গত অর্থবছরে আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি কিছুটা বেড়েছে, তবু দীর্ঘমেয়াদে খাতটির প্রবৃদ্ধি স্থবির। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে আয় হয়েছে ৯৮৮ মিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর চামড়ার উৎপাদন বাড়ছে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সারা বছরের প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কাঁচা চামড়া সংগ্রহ হয়। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারায় সেই বাড়তি উৎপাদনের সুফল মিলছে না।
সাভার শিল্পনগরী ঘিরে হতাশা
চামড়া শিল্পের বড় আশা ছিল সাভারের হেমায়েতপুরে গড়ে ওঠা ট্যানারি শিল্পনগরী। পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিল্পাঞ্চল হিসেবে এটিকে গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। ২০১৭ সালের মধ্যে পুরান ঢাকার হাজারীবাগ থেকে ট্যানারিগুলো সেখানে স্থানান্তরও করা হয়। কিন্তু উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছাড়াই তাদের সেখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে শিল্পনগরীতে ১৬২টি ট্যানারির মধ্যে ১৪৬টি চালু রয়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) এখনো পুরোপুরি কার্যকর নয়। তরল ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির কারণে অনেক ট্যানারি বিদেশি ক্রেতাদের পরিবেশগত শর্ত পূরণ করতে পারছে না।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, গত এক দশকে দেশের চামড়া শিল্পে প্রত্যাশিত প্রবৃদ্ধি হয়নি। মূলত আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে না পারায় ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান ও কোরিয়ার বড় ক্রেতারা বাংলাদেশি চামড়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। ফলে বাধ্য হয়ে কমদামি ও নন-কমপ্লায়েন্ট বাজারে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগে যে চামড়া ১ দশমিক ৫০ ডলারে বিক্রি হতো, এখন তা গড়ে ৬০ থেকে ৭০ সেন্টে বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচ প্রতিবছর কোরবানির পশুর সংখ্যা ৫ থেকে ৬ শতাংশ হারে বাড়ছে। সে অনুযায়ী চামড়া শিল্পেও প্রবৃদ্ধি হওয়ার কথা ছিল। আমরা কমপ্লায়েন্ট না হওয়ায় বিদেশি বড় ক্রেতারা অন্য দেশে চলে গেছে। এখন নন-কমপ্লায়েন্ট ক্রেতারাই এই দেশ থেকে কম দামে চামড়া কিনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করছে।
চামড়া শিল্পের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তরল ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে উল্লেখ করেন শাহীন আহমেদ।
এলডব্লিউজি সনদের অভাব
আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়া রপ্তানির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ’ (এলডব্লিউজি) সনদের অভাবকে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের বড় ক্রেতারা এখন পরিবেশগত মান নিশ্চিত না হলে চামড়া কিনতে আগ্রহ দেখায় না। বাংলাদেশে প্রায় ১৬২টি ট্যানারি থাকলেও এলডব্লিউজি সনদ রয়েছে মাত্র আটটির। তুলনায় পাকিস্তানে এ সংখ্যা ৫৬, ভারতে ২৪১, ভিয়েতনামে ২৪ এবং ইন্দোনেশিয়ায় ২১।
এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজের (বিস) গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবির খান বাংলানিউজকে বলেন, বাংলাদেশের চামড়া আন্তর্জাতিক মানের হলেও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা কমছে।
তিনি বলেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে শুধু চামড়া রপ্তানি থেকেই বাংলাদেশ বছরে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে। আর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের। সেখানে বাংলাদেশ বর্তমানে মাত্র ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করছে।
বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রচলিত পদ্ধতিতে লবণ ব্যবহার করে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়। কোরবানির সময় দ্রুত সংরক্ষণের সুযোগ না থাকায় রাতের মধ্যেই বিপুল পরিমাণ চামড়া নষ্ট হয়ে যায় এবং মান কমে যায়।
ড. মাহফুজ কবির খান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রহণযোগ্যতা পেতে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সার্টিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশের সব কারখানা এখনো এ সনদ পায়নি। যদি শিল্পাঞ্চলের পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স এবং সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) পুরোপুরি কার্যকর হতো, তাহলে এটি বাংলাদেশের জন্য বড় একটি মাইলফলক হতে পারত।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে বিপুল পরিমাণ চামড়া উৎপাদিত হলেও স্থানীয় ট্যানারিগুলো বিদেশ থেকে চামড়া আমদানি করছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া নিম্নমানের চামড়া বিদেশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করছে। এ পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আরও ভালো করতে পারতাম, যদি বিভাগীয় পর্যায়ে আধুনিক সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা হতো এবং দ্রুত চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যেত।
ডাম্পিং জোনে বর্জ্যের স্তুপ
চামড়া শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখন চামড়া পুঁতে ফেলা হচ্ছে, পানিতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে যে ভাবমূর্তি তৈরি হওয়ার কথা ছিল, সেটি নষ্ট হয়ে গেছে।
ড. মাহফুজ কবির খান বলেন, শুধু সিইটিপি সচল করাই যথেষ্ট নয়, পুরো শিল্পাঞ্চলে পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে বর্জ্য আশপাশের জলাশয় ও মাটিতে গিয়ে পরিবেশ দূষণ ঘটাচ্ছে। তাই পূর্ণাঙ্গ পরিবেশগত মানদণ্ড বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো সংস্থার মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থার মনিটরিং জরুরি বলে মত দেন তিনি।
কাঁচা চামড়া যাচ্ছে বিদেশে
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ চামড়ার বড় অংশ অর্ধপ্রক্রিয়াজাত অবস্থায় চীন, ভারত ও ভিয়েতনামে রপ্তানি হয়। এসব দেশ পরে এলডব্লিউজি মানদণ্ড অনুযায়ী চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে উচ্চমূল্যে ইউরোপীয় বাজারে বিক্রি করে।
চীন একাই বাংলাদেশ থেকে অর্ধপ্রক্রিয়াজাত চামড়ার প্রায় ৬২ শতাংশ আমদানি করে। অথচ দেশের অনেক জুতা ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানের চামড়া না পেয়ে বিদেশ থেকে চামড়া আমদানি করছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বাংলাদেশের জন্য দ্বিমুখী ক্ষতির কারণ। একদিকে কাঁচামাল কম দামে বিদেশে যাচ্ছে, অন্যদিকে মূল্য সংযোজনের সুযোগও হারাচ্ছে দেশ।
ঈদ এলেই চামড়ার দরপতন
প্রতি বছর কোরবানির ঈদে কাঁচা চামড়ার বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। চামড়া দ্রুত পচনশীল হওয়ায় সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় তা সংরক্ষণ করতে পারেন না। ট্যানারি মালিকদের অর্থসংকট ও সীমিত ক্রয়ক্ষমতার সুযোগে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কম দামে চামড়া কিনে নেন।
এবছর সরকারের পক্ষ থেকে গরুর কাঁচা চামড়ার দাম ঢাকার ভেতরে প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ এবং ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ঢাকায় প্রতি বর্গফুটে গড়ে ২ টাকা এবং ঢাকার বাইরে সমপরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ২৫-৩০ টাকা এবং সারা দেশে বকরির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৭ এবং ২০ থেকে ২২ টাকা।
দেশে এবার কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এ বছর চাহিদা এক কোটি এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশুর। সম্ভাব্য চাহিদার বিপরীতে ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু ও মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং ৫ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী।
সমাধানে কী ভাবছে সরকার
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) উন্নয়ন এবং বড় ট্যানারিগুলোতে পৃথক বর্জ্য পানি শোধন ব্যবস্থা বা ইলেকট্রো ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের (ইটিপি) স্থাপনের মাধ্যমে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশের চামড়া খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব। এতে আন্তর্জাতিক মান সনদ (এলডব্লিউজি) অর্জনের পথও সহজ হবে। সরকার, ট্যানারি মালিক ও সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগে চামড়া খাত আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমানে সাভার শিল্পনগরীতে মোট ১৬২টি ট্যানারি রয়েছে, যার মধ্যে ১৪৬টি চালু আছে। কিন্তু মাত্র দুটি ট্যানারিতে পূর্ণাঙ্গ ইটিপি রয়েছে। আরও ৩০ থেকে ৩৫টি ট্যানারি পৃথক ইটিপি স্থাপন করলে সিইটিপির ওপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
বিসিক চেয়ারম্যান বলেন, শুধু সিইটিপির ওপর নির্ভর করলে আন্তর্জাতিক মান অর্জন সম্ভব নয়। প্রতিটি ট্যানারিতে প্রাথমিকভাবে বর্জ্য পরিশোধন, ক্রোম আলাদা করা এবং স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এরপর অপেক্ষাকৃত ভালো মানের তরল বর্জ্য সিইটিপিতে এলে সেটি সহজে পরিশোধন করা সম্ভব হবে এবং এলডব্লিউজি সনদ পেতে সুবিধা হবে।
বর্তমানে শিল্পনগরীতে দুটি ট্যানারিতে পৃথক (ইটিপি) চালু রয়েছে। এগুলো হলো সদর ট্যানারি ও বেসমিনা। আরও ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটি আবেদন যাচাই চলছে। বড় ২০ থেকে ২৫টি প্রতিষ্ঠান পৃথক ইটিপি স্থাপনে আগ্রহ দেখিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান নিজস্বভাবে বর্জ্য শোধন করে সরাসরি নদীতে পরিশোধিত পানি ছাড়তে পারলে তাদের এলডব্লিউজি সনদ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে চামড়া খাতের অবদান প্রায় শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এ শিল্পে। দেশে উৎপাদিত ফিনিশড লেদার, জুতা, ব্যাগ ও বেল্টসহ নানা পণ্য যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৫০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবেশগত মানদণ্ড নিশ্চিত করা, আধুনিক সংরক্ষণব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সনদ অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে বাংলাদেশের চামড়া খাত আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। নইলে বিপুল সম্ভাবনার এই শিল্প ধীরে ধীরে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও পিছিয়ে পড়বে।