প্রকল্প ব্যয় ১৬৫ কোটি থেকে ঠেকলো ৩২৬ কোটিতে, ২০০ কোটির অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের তোড়জোড়


প্রকল্প ব্যয় ১৬৫ কোটি থেকে ঠেকলো ৩২৬ কোটিতে, ২০০ কোটির অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের তোড়জোড়
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) আলোচিত ৫জি প্রকল্পটি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) স্পষ্ট আপত্তি, প্রকাশ্য অনুসন্ধান এবং বিতর্কিত ক্রয় প্রক্রিয়া সংক্রান্ত একের পর এক প্রশ্ন উঠলেও প্রকল্পটি বাস্তবায়নের তৎপরতা থেমে নেই। এবার প্রকল্পটি সামনে এগিয়ে নিতে সরাসরি উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। দুদকের আপত্তির কারণে স্থবির হয়ে পড়া প্রকল্পের অবশিষ্ট কার্যক্রম চালু রাখতে সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন করে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে, যেখানে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়েছে। অনিয়মে অভিযুক্ত এই প্রকল্প বাস্তবায়নের নানামুখী তৎপরতার পেছনে চীনা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের ভূমিকা রয়েছে বলে জানা গেছে। একইসাথে বিএনপি সরকারের একটি উচ্চমহল প্রতিষ্ঠানটির সাথে অবৈধ লেনদেনে জড়িত বলেও জানিয়েছে একাধিক সূত্র। দুদকের আপত্তি সত্ত্বেও ১৫ মিলিয়নের কাজ ৩০ মিলিয়নে করতে তৈয়্যবের তোড়জোড় এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তৎকালীন বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব নিজের প্যাডে আধা সরকারি চিঠি (ডিও লেটার) পাঠিয়ে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে এই প্রকল্পের বিষয়ে ‘ব্যক্তিগত মনোযোগ ও সহযোগিতা’ চেয়েছিলেন। এই ঘটনা নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় দৈনিকগুলোতে সংবাদ প্রকাশিত হয়, যেখানে বুয়েটের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, দুদকের অনুসন্ধান এবং প্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অভিযোগের বিষয়টি উঠে আসে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ১৬৫ কোটি টাকায় কেনা সম্ভব হলেও প্রায় ২০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ভাগবাটোয়ারার উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব বাড়তি যন্ত্রপাতি কোনো কাজে না লেগে অব্যবহৃত পড়ে থাকবে। ড. ইউনূসের বিশেষ সহকারী তৈয়্যবের চাপ-ইন্ধনে দেড়শ কোটির প্রকল্পে ব্যয় ৩২৬ কোটি! সাম্প্রতিক নথি অনুযায়ী, এবার ব্যক্তিগত উদ্যোগের পরিবর্তে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্পটি এগিয়ে নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় প্রকল্পের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করে অবশিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। বিটিসিএলের প্রকল্প বাস্তবায়ন, যন্ত্রপাতি আমদানি, এলসি এবং কারিগরি মূল্যায়নসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে প্রকল্প চালিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করা হয়েছে চিঠিতে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা-৩ শাখা থেকে গত ৫ই মে চিঠিটি পাঠানো হয়, যাতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শুভ দেবনাথ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। দুদক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কমিশন গঠিত না থাকায় এই চিঠির বিষয়ে এখনো কোনো পদক্ষেপ বা ব্যাখ্যা নেওয়া হয়নি। গত বছরের ১৩ই এপ্রিল ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দুদকে চিঠি পাঠিয়ে প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে সহযোগিতা চেয়েছিল। জবাবে একই বছরের ১৮ই জুন দুদকের তৎকালীন সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন স্বাক্ষরিত চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, ‘এ প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ার অবশিষ্ট কার্যক্রম এগিয়ে বা চালিয়ে নিলে তা আইনের ব্যত্যয় হবে বলে প্রতীয়মান হয় এবং সংশ্লিষ্ট অর্থ ব্যয় আইনসিদ্ধ হবে না বলে অনুমেয়।’ এরপরও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব দুদক চেয়ারম্যানকে ডিও লেটার পাঠিয়ে প্রকল্পটি চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান, তবে দুদক তাতে সাড়া দেয়নি। দুদকের লিখিত আপত্তি সত্ত্বেও ক্ষমতার পালাবদলের পর প্রকল্পটি ফের চালু করতে তৎপরতা শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট চক্র। এরই ধারাবাহিকতায় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে নতুন চিঠি পাঠানো হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে, “আলোচ্য প্রকল্পের চলমান কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নিমিত্তে দুদক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ অবস্থায়, ‘৫জির উপযোগীকরণে বিটিসিএলের অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের চলমান কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে সূত্রোক্ত ১ নং স্মারকে দুদক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।” ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব মন্ত্রণালয়ের এই চিঠিতে গত বছরের ১৮ই জুন দুদক থেকে পাঠানো চিঠির প্রসঙ্গ টানা হয়েছে, যেখানে দুদক জানিয়েছিল প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে, যে কারণে প্রকল্প চালিয়ে নেওয়া আইনসিদ্ধ হবে না। দুদকের তদন্তসংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, “মন্ত্রণালয়ের চিঠিকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না। কারণ দুদকের যে অবস্থান, তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরেও সেই প্রকল্প চালিয়ে নেওয়ার অনুমতি দুদক দিতে পারে না। এ ছাড়া একবার চিঠি দিয়ে ‘না’ বলার পরও ফের চিঠি দিয়ে একই প্রকল্প চালিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা নজিরবিহীন। এটা দুদককে তদন্তনাধীন বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল, ক্ষমতার অপব্যবহার।” তিনি আরও জানান, অনুসন্ধান কমিটি ইতিমধ্যে তাদের কাজ শেষ করে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং নতুন কমিশন গঠিত হলে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই মামলায় ফয়েজ তৈয়্যবসহ ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি হুয়াওয়ের সঙ্গে বিটিসিএলের সম্পাদিত চুক্তি বাতিল করে হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্ত করার জন্য সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটকে (সিপিটিইউ) সুপারিশ করার কথাও জানিয়েছে দুদকের অনুসন্ধানকারী দল। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পের শুরু থেকেই এর ব্যয়, প্রয়োজনীয়তা এবং কারিগরি সক্ষমতা নিয়ে গুরুতর বিতর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিটিসিএলের সম্ভাব্য ব্যান্ডউইথ চাহিদা ২৬.২ টেরাবাইট নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী ১০০জি প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামোর সুপারিশ করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ১২৬ টেরাবাইট সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়, ফলে প্রকল্পের ব্যয় ১৬৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৩২৬ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই দুদক প্রকাশ্য অনুসন্ধান শুরু করে, যাতে গোপনীয়তার শর্ত লঙ্ঘন, পিপিআর অমান্য, বুয়েটের সুপারিশ উপেক্ষা এবং প্রয়োজনের তুলনায় বহুগুণ বেশি সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কেনার প্রাথমিক প্রমাণ মেলে। মন্ত্রণালয়ের নতুন চিঠিতে যন্ত্রপাতির গুণগতমান যাচাইয়ে বুয়েটের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের কথা এবং সেই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে যন্ত্রপাতি গ্রহণযোগ্য বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, এই যুক্তি মূল বিতর্কের জবাব দেয় না, কারণ দুদকের অনুসন্ধানের কেন্দ্রবিন্দু শুধু যন্ত্রপাতির মান নয়—বরং কেন প্রয়োজনের প্রায় পাঁচ গুণ বেশি সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কেনা হলো, কেন বুয়েটের সমীক্ষা উপেক্ষা করা হলো এবং কেন প্রকল্প ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ করা হলো—এসব প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর এখনো মেলেনি। ফ্যাক্টরি পরীক্ষা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি শিপমেন্টের আইনি বৈধতা না থাকা সত্ত্বেও তা করা হয়েছে কোনো পক্ষকে লাভবান করার উদ্দেশ্যে কিনা, তা তদন্তের বিষয় বলে মনে করা হচ্ছে। প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্ট একাধিক বিশেষজ্ঞের মতে, যন্ত্রপাতি মানসম্মত হলেই তা কেনার যৌক্তিকতা প্রমাণিত হয় না—রাষ্ট্রীয় প্রকল্পে প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত এটি আদৌ প্রয়োজন ছিল কি না। প্রয়োজনের অতিরিক্ত সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কিনে তা বছরের পর বছর অব্যবহৃত রাখাও সরকারি অর্থের অপচয় হিসেবে গণ্য হতে পারে। দুদকের অনুসন্ধানেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠে এসেছে বলে জানা যায়—বুয়েটের সুপারিশ উপেক্ষা, অতিরিক্ত সক্ষমতার যন্ত্রপাতি কেনার উদ্যোগ, পিপিআর লঙ্ঘন ও সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে বলে উল্লেখ রয়েছে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে। এ কারণে কমিশন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানায়, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে প্রকল্পের অবশিষ্ট ক্রয়কাজ এগিয়ে নিলে তা আইনের ব্যত্যয় ঘটাবে এবং সংশ্লিষ্ট অর্থ ব্যয় আইনসিদ্ধ হবে না। তা সত্ত্বেও প্রকল্পটি সচল রাখার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে যন্ত্রপাতি দেশে পৌঁছানোর পর এলসির বিপরীতে অর্থ ছাড়ের প্রশ্ন সামনে এসেছে এবং সেই অর্থ ছাড় করাতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ম্যানেজারকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাদিম মাহমুদ বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন লিখিতভাবে দুর্নীতি-অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি জানানোর পরেও চিঠি বা ডিও দিয়ে সেই প্রকল্প চালিয়ে নেওয়ার জন্য দুদককে চাপ দেওয়া স্পষ্টত আইনের ব্যত্যয়। এটা দুদকের স্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ। আমার মনে হচ্ছে, যারা বারবার চিঠি ইস্যু করছে, তারাই মূলত এই প্রকল্পের দুনীতির টাকার সুবিধাভোগী। ওই কর্মকর্তাদের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করা উচিত দুর্নীতি দমন কমিশনের, বলেন তিনি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টেক খাতে হুয়াওয়ে একদিকে যেমন বিশ্বের অন্যতম নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান, অন্যদিকে তারা তাদের আগ্রাসী সাফল্যের পেছনে অনৈতিক ও দুর্নীতিনির্ভর ব্যবসায়িক চর্চার অভিযোগের জন্যও ব্যাপক বিতর্কিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একাধিক দেশ, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে দুর্নীতির অভিযোগে হুয়াওয়ে ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে। তিনি বলেন, হুয়াওয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে দুর্নীতির ঝুঁকি রয়েছে, তা কর্তৃপক্ষের অজানা নয়; বিশেষ করে দুদকের তদন্তে আমলযোগ্য তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সরকারের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থানের ঊর্ধ্বে থেকে দুর্নীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে সৎসাহসের পরিচয় দেওয়া এবং আইনসিদ্ধভাবে তদন্ত প্রক্রিয়ার পথ সুগম করা। তা না করে দৃশ্যত হুয়াওয়েরই ইন্ধনে এ প্রতিষ্ঠানটির দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রক্রিয়া প্রভাবিত বা এমনকি রুদ্ধ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও যোগ করেন, ‘সংশ্লিষ্ট মহলের এমন অবস্থান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এর পেছনেও অবৈধ লেনদেনসহ কোনো গভীরতর ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নও অমূলক হবে না।’

সর্বশেষ :

ফের পিছিয়ে গেল রূপপুরের উৎপাদনের যাত্রা: আগস্টে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে না পরমাণু বিদ্যুৎ   ফের পিছিয়ে গেল রূপপুরের উৎপাদনের যাত্রা: আগস্টে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছে না পরমাণু বিদ্যুৎ বিনা আমন্ত্রণেই বিদেশে যাবার পথে দিল্লি থেকে ঘুরে যেতে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস   বিনা আমন্ত্রণেই বিদেশে যাবার পথে দিল্লি থেকে ঘুরে যেতে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেল বাংলাদেশ, উল্টো সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধের চাপ   ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেল বাংলাদেশ, উল্টো সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধের চাপ উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ল পৌনে ৩ কোটি টাকার সড়ক, বাঁশ-বালুর বস্তায় ঠেকা!   উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়ল পৌনে ৩ কোটি টাকার সড়ক, বাঁশ-বালুর বস্তায় ঠেকা! আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী   আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, মিত্র, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি: এমপি নাছির চৌধুরী ‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি   ‘আপনারা দেখেননি, আমরা কীভাবে থানা জ্বালিয়ে পিটিয়ে পুলিশ মেরেছি’: প্রকাশ্যে এনসিপি নেতার স্বীকারোক্তি রিয়ালের সঙ্গে আরও ছয় বছরের চুক্তি বাড়ালেন ভিনিসিউস   রিয়ালের সঙ্গে আরও ছয় বছরের চুক্তি বাড়ালেন ভিনিসিউস প্রকল্প ব্যয় ১৬৫ কোটি থেকে ঠেকলো ৩২৬ কোটিতে, ২০০ কোটির অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের তোড়জোড়   প্রকল্প ব্যয় ১৬৫ কোটি থেকে ঠেকলো ৩২৬ কোটিতে, ২০০ কোটির অপ্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ক্রয়ের তোড়জোড়