নিজের জন্মস্থান মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি


নিজের জন্মস্থান মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
শেষ হলো ইরানের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ইতিহাসের এক অধ্যায়। এক সপ্তাহব্যাপী ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় শোক ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে নিজ শহর মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা (আ.) মাজারে সমাহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দাফন করা হয় পরিবারের বাকি ৪ সদস্যকেও সমাহিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণের দার আল-জিকর নামের কক্ষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে জানাজা ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে তার মরদেহবাহী কফিন ইমাম রেজা (আ.)-এর রওজার চারপাশে প্রদক্ষিণ করানো হয়। খবর- রয়টার্সের।   শোকযাত্রায় অংশ নেওয়া অনেককে ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা যায়। শহীদ নেতার জ্যেষ্ঠ পুত্র সাইয়্যেদ মোস্তফা খামেনি মরদেহের জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।   দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে ইরানের রাজনীতি, পররাষ্ট্রনীতি এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে ছিলেন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন দৃঢ়তার প্রতীক, আবার সমালোচকদের কাছে বিতর্কিত এক শাসক।   শোকযাত্রাজুড়ে আমেরিকার মৃত্যু, ইসরায়েলের মৃত্যু এবং বিলায়াতে ফকিহের বিরোধীদের মৃত্যু স্লোগান ধ্বনিত হয়। একই সঙ্গে ইয়া লাসারাতিল হুসাইন লেখা লাল পতাকা বহন করেন শোকাহত জনতা, যা শোকের পাশাপাশি ন্যায়বিচারের অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।   গত শুক্রবার শোকানুষ্ঠান শুরু হয়, যেখানে ৪৫টিরও বেশি দেশের রাজনৈতিক প্রতিনিধি এবং ৯০টিরও বেশি দেশের ধর্মীয় আলেমরা অংশ নেন।