বাংলাদেশের চেয়ে ১২৭ গুণ ক্ষুদ্র অর্থনীতির দেশ ভুটানে শ্রমিক পাঠাতে চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
অনলাইন নিউজ ডেক্স
ভুটানের গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি (জিএমসি) উন্নয়নে জনশক্তি রপ্তানিতে বাংলাদেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে এ প্রকল্পে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে চায় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কার্মা হামু দর্জির সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান এসব তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে ভুটানের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় হুমায়ুন কবিরকে অভিনন্দন জানান। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপি ৪৫৬.৩২ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ভুটানের মাত্র ৩.৫৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতি ভুটানের তুলনায় আকারে প্রায় ১২৭ গুণ বড়ো।
এমন একটি ক্ষুদ্র অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতে চায়- এটি বাংলাদেশের জন্য কতটা মর্যাদাকর ব্যাপার- এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।
এদিকে, বৈঠকে হুমায়ুন কবির বলেছেন, ভুটানের গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির উন্নয়নে বাংলাদেশ অবদান রাখতে আগ্রহী। বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে এ প্রকল্পে সহযোগিতা করা যেতে পারে।
এ সময় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আঞ্চলিক সহযোগিতার উদ্যোগের কথা স্মরণ করে সার্ক পুনরুজ্জীবনে ভুটানের সহযোগিতা কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সার্ক পুনরুজ্জীবিত হলে এ অঞ্চলের দেশ ও জনগণ সম্মিলিতভাবে উপকৃত হবে।
সাক্ষাৎকালে ভুটানের রাষ্ট্রদূত গত ২৬শে আগস্ট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভুটানের রাজাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বাংলাদেশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ওই সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে ভুটানের রাজাকে অভ্যর্থনা জানান।
এ ছাড়া বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ভুটানের রাষ্ট্রদূত।
