প্রকাশিতঃ জুলাই ৩০, ২০২৪

ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে সমন্বয়কদের দেখা পাননি সোহেল তাজ


ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে সমন্বয়কদের দেখা পাননি সোহেল তাজ
কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে দেখতে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা কার্যালয়ে গিয়েছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। তবে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেও তাদের দেখা পাননি সাবেক এই আওয়ামী লীগ নেতা। এছাড়া কখন এই সমন্বয়কদের ছাড়া হবে, সে বিষয়েও কোনো সদুত্তর পাননি তিনি। সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেল পাঁচটার দিকে মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কার্যালয়ে যান সোহেল তাজ। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে তিনি ফিরে যান। ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের ছেলে সোহেল তাজ বলেন, ‘বিবেকের তাড়নায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কদের খোঁজ নিতে এসেছিলাম। সমন্বয়কদের কেন এখানে আনা হয়েছে, তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে কি না এবং কখন মুক্তি দেওয়া হবে—এসব বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোনো প্রশ্নেরই সন্তোষজনক জবাব পাইনি।’ সোহেল তাজ বলেন, ‘আমার প্রথম প্রশ্ন ছিল, এই সমন্বয়কারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে নাকি নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে? দ্বিতীয় প্রশ্ন, যদি গ্রেফতার হয়ে থাকে, তাহলে আমার কোনো দাবি নেই। কিন্তু যদি নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে আমি তাদের সঙ্গে দেখা করতে চাই। ডিবিপ্রধান আমাকে পরবর্তী সময়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছেন, এই ছয় সমন্বয়কারী যেহেতু তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন, সেই কারণে তাদের নিরাপদ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’ সাবেক এই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই কথা শুনে আমি প্রশ্ন করেছিলাম, আপনারা কীভাবে বুঝলেন তারা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা কি আপনাদের জানিয়েছিল, অনুরোধ করেছিল? আমাকে তখন তিনি বলেছেন, না। ওনারা বুঝতে পেরেছেন মনিটরিং (নজরদারি) করে। যেহেতু নিরাপদ হেফাজতে আছে, আমি তাদের সঙ্গে দেখা করতে চাই। প্রত্যুত্তরে আমাকে জানানো হয়, দেখা করতে চাইলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে দেখা করতে হবে।’ সোহেল তাজ বলেন, ‘আমার তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, সমন্বয়কদের কখন নিরাপদ হেফাজত থেকে মুক্তি দেওয়া হবে? জবাবে ডিবিপ্রধান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যখন তাকে নির্দেশনা দেবেন, তখনই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’

সর্বশেষ :

লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকট নিয়ে পোস্ট করায় এনসিপির মবের শিকার ও গ্রেপ্তার স্কুলশিক্ষক   লোডশেডিং ও জ্বালানি সংকট নিয়ে পোস্ট করায় এনসিপির মবের শিকার ও গ্রেপ্তার স্কুলশিক্ষক ‘পুলিশ খুব দুর্বল, শেখ হাসিনার এখনই আসা উচিৎ, চলে আসলি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, ফোনালাপের জেরে ওসি প্রত্যাহার   ‘পুলিশ খুব দুর্বল, শেখ হাসিনার এখনই আসা উচিৎ, চলে আসলি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, ফোনালাপের জেরে ওসি প্রত্যাহার হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সমঝোতা: মার্কিন জাহাজকে বাধা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি   হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সমঝোতা: মার্কিন জাহাজকে বাধা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ চরমে: কেন মধ্যমশক্তির দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতা এড়াতে চাইছে   যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ চরমে: কেন মধ্যমশক্তির দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতা এড়াতে চাইছে উচ্চমূল্যে মার্কিন গম ক্রয়: সরকারের দাবি বৃহত্তর কৌশল, অথচ ভুক্তভোগী ভোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি   উচ্চমূল্যে মার্কিন গম ক্রয়: সরকারের দাবি বৃহত্তর কৌশল, অথচ ভুক্তভোগী ভোক্তা এবং দেশের অর্থনীতি পাঁচ দেশে অর্থপাচারসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন: সস্ত্রীক আসিফের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি   পাঁচ দেশে অর্থপাচারসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন: সস্ত্রীক আসিফের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি ৭ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদদের প্রতিবাদ, রায় বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি   ৭ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদদের প্রতিবাদ, রায় বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: ১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল, মাটির দোষ দিলেন ঠিকাদার   বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: ১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল, মাটির দোষ দিলেন ঠিকাদার