মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ইয়েমেনে। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সম্প্রতি দক্ষিণ ইয়েমেনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মদদপুষ্ট দক্ষিণ পরিবর্তন পরিষদ (STC) বা সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের অবস্থান ও সরবরাহের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। গতবছরের ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত STC বাহিনী দক্ষিণ ইয়েমেনের হাদরামাউত ও মাহরাহ প্রদেশসহ কয়েকটি এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় সৌদি আরব অভিযোগ করে যে ইউএই থেকে অস্ত্র ও সামরিক যানবাহন পাঠানো হচ্ছে STC-কে। মুকাল্লা বন্দরে এমন একটি চালানের ওপর সৌদি বিমানবাহিনী হামলা চালায়। সৌদি পক্ষ বলেছে, এ অস্ত্র তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। হামলার পর ইউএই তাদের অবশিষ্ট সেনা ইয়েমেন...
মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ইয়েমেনে। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট সম্প্রতি দক্ষিণ ইয়েমেনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মদদপুষ্ট দক্ষিণ পরিবর্তন পরিষদ (STC) বা সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের অবস্থান ও সরবরাহের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে।
গতবছরের ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত STC বাহিনী দক্ষিণ ইয়েমেনের হাদরামাউত ও মাহরাহ প্রদেশসহ কয়েকটি এলাকায় দ্রুত অগ্রসর হয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় সৌদি আরব অভিযোগ করে যে ইউএই থেকে অস্ত্র ও সামরিক যানবাহন পাঠানো হচ্ছে STC-কে। মুকাল্লা বন্দরে এমন একটি চালানের ওপর সৌদি বিমানবাহিনী হামলা চালায়। সৌদি পক্ষ বলেছে, এ অস্ত্র তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
হামলার পর ইউএই তাদের অবশিষ্ট সেনা ইয়েমেন থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীও STC-এর দখলকৃত কিছু এলাকা পুনরুদ্ধারের অভিযান চালায়। দুই উপসাগরীয় মিত্র দেশের মধ্যে এই সংঘাত তাদের দীর্ঘদিনের জোটের ফাটলকে স্পষ্ট করে তুলেছে। সৌদি আরব ঐক্যবদ্ধ ইয়েমেন চায়, অন্যদিকে ইউএই দক্ষিণের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিয়ে আসছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য ও ইয়েমেন সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয় পক্ষকে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।